সকাল-সন্ধ্যা হরতালে ব্যাংক লেনদেন স্বাভাবিক

বাংলাবাজার পত্রিকা রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩:০৮ অপরাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ | আপডেট: ৩:১০ অপরাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে ঢিলেঢালা অবস্থায় চলছে ঢাকার মতিঝিল ব্যাংক পাড়া । স্বাভাবিক নিয়মে চলছে ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজারের কার্যক্রম। ব্যাংক গুলোতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকাল থেকে সব ধরণের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে গ্রাহক উপস্থিতি অনেক কম।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয় হরতাল। হরতালের প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয়। গ্রাহক নেই অন্যান্য দিনের মতো। বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন ধরে কমছে স্বর্ণের দাম

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, ফকিরাপুল, আরামবাগ এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ওই এলাকার বিভিন্ন সড়কের মূল পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে মতিঝিল এলাকায় যেখানে সকাল থেকেই সড়কগুলো গণপরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহনে ভরে যায় সেখানে আজকে ব্যাংক পাড়ার রাস্তাগুলো অনেকটাই ফাঁকা। হরতালের কারণে ম‌তি‌ঝিল এলাকায় বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কিছুক্ষণ পরপরই টহল দিচ্ছে সাঁজোয়া যান।  

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে আবারও কমল সোনার দাম

মতিঝিল ব্যাংক পাড়ায় রাষ্ট্র মালিকানাধীন ও বেরসরকারি ব্যাংকে গ্রাহকদের উপস্থিতি নেই। একই চিত্র দেখা গেছে, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও। এসব এলাকার ব্যাংকের অধিকাংশ কাউন্টার গ্রাহক উপস্থিতি না থাকায় খালি ছিল। তবে ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন দুপুরের পর গ্রাহক বাড়তে পারে। বি‌শেষ প্র‌য়োজ‌নে যারা আস‌ছেন সেবা নি‌য়ে দ্রুত চ‌লে যা‌চ্ছেন।

এর আগে শনিবার (২৮ আক্টোবর) নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ ছিল। সমাবেশ শুরুর আগেই কাকরাইলে দুপুর থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষ পরে বিজয়নগর পানির ট্যাংক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বেলা তিনটার দিকে বিএনপির সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। সমাবেশ পণ্ড হওয়ার আগমুহূর্তে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজকের হরতালের ঘোষণা দেন। পরে জামায়াতে ইসলামীও আলাদা করে হরতাল আহ্বান করেছে।

এদিকে হরতালে লেনেদেনে কোন প্রভাব পরেনি দেশের দুই শেয়ারাবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি কম হলেও স্বাভাবিক নিয়মে চলছে লেনদেন।