নামজারির সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাইয়ের নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:৩৬ অপরাহ্ন, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১:১৮ পূর্বাহ্ন, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জমি নামজারির সময় এর বাস্তব শ্রেণি যাচাই করে তা রেকর্ডে হালনাগাদের ব্যবস্থা ই-মিউটেশন সিস্টেমে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স অনুবিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি চিঠি জারি করা হয়েছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: বিআরটি প্রকল্প নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড

চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যতম সমস্যা হলো জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি নিয়মিতভাবে হালনাগাদ না হওয়া। প্রাকৃতিক কারণে কিংবা মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে জমির শ্রেণি পরিবর্তিত হলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই পরিবর্তিত শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

ফলে ভূমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে জমির প্রকৃত ও যথাযথ মূল্য নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে জমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং রেকর্ডীয় শ্রেণি নিয়মিত হালনাগাদের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা বিদ্যমান। একই সঙ্গে বিদ্যমান ই-মিউটেশন সফটওয়্যারেও নামজারির সময় জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি হালনাগাদের কোনো সুবিধা নেই।

এ অবস্থায় ভূমি মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে, কোনো ব্যক্তি জমি নামজারির আবেদন করলে তা মঞ্জুরের সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই করতে হবে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সেই শ্রেণিকে রেকর্ডীয় শ্রেণি হিসেবে নামজারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের মতে, ই-মিউটেশন সিস্টেমে এ সুবিধা চালু হলে জমির প্রকৃত ব্যবহার ও শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে। এর ফলে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণও সহজ হবে।

নির্দেশনাটি বাস্তবায়নে ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় আশা করছে, জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই ও রেকর্ড হালনাগাদের এ ব্যবস্থা চালু হলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।