রাজধানীজুড়ে ঈদুল আজহার উৎসব, কোরবানিতে ব্যস্ত নগরবাসী
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার পাড়া-মহল্লা, অলিগলি ও আবাসিক এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ঈদের নামাজ শেষে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঈদের জামাত আদায়ের পরপরই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরবানি দেওয়া শুরু করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানীজুড়ে পালিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা।
আরও পড়ুন: বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার
রামপুরার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই দেখা গেছে গরু জবাই ও মাংস কাটার ব্যস্ততা। পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিয়ে অনেকেই যৌথভাবে কোরবানি দিয়েছেন। এতে খরচ কমার পাশাপাশি সামাজিক সম্পর্কও আরও দৃঢ় হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, “কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, এটি ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা প্রতিবছর পরিবারের সবাই একত্রিত হয়ে কোরবানি করি।”
আরও পড়ুন: গুলিস্তানে ডিএসসিসি’র উচ্ছেদ অভিযান: শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদ ও মালামাল জব্দ
আরেক বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, “শিশুরা সকাল থেকেই খুব আনন্দ করছে। তারা গরুর পাশে ঘুরছে, মাংস কাটার কাজ দেখছে। ঈদের এই পরিবেশ বছরে একবারই আসে।”
মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শিশু-কিশোরদের মাঝেও ছিল আলাদা উচ্ছ্বাস। নতুন পোশাক পরে তারা কোরবানির পশুকে ঘিরে আনন্দ করেছে এবং বড়দের কাজে সহায়তা করেছে।
মিরপুরের বাসিন্দা মো. আশিকুর রহমান আশিক বলেন, “সকাল ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে আমরা চারজন মিলে ভাগে গরু কোরবানি দিয়েছি। আল্লাহ যেন আমাদের কোরবানি কবুল করেন, সেই দোয়া করছি।”
অন্যদিকে কসাইদেরও কাটছে ব্যস্ত সময়। সকাল থেকেই একের পর এক বাসা ও মহল্লায় গিয়ে পশু জবাই ও মাংস কাটার কাজ করছেন তারা। কসাই রিপন মিয়া বলেন, “সকাল ৭টার পর থেকেই কাজ শুরু করেছি। আজ অন্তত সাতটি গরু জবাই করতে হবে। ঈদের সময়ই আমাদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়।”





