বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যায় রেস্তোরাঁকর্মী গ্রেপ্তার

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসায় স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিলন নামে এক রেস্তোরাঁকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও ঘটনার পর আত্মগোপনের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র‌্যাবের পাঠানো এক খুদে বার্তায় জানায়, দক্ষিণ বনশ্রীর ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুরের মামলায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ‘শুটার লেলিন’ গ্রেপ্তার

এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি বাবা-মা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। পরিবারের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায়। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন: ভাটারা থেকে কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার মা ও ছেলে আটক

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার সময় ওই বাসায় ঢুকতে দেখা যায় তাদের রেস্তোরাঁর কর্মী মিলনকে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসায় লুটপাটের চেষ্টার সময় ফাতেমা বাধা দিলে একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই মেয়েটির বাবার রেস্তোরাঁর এক কর্মী আত্মগোপনে ছিলেন।

তিনি আরও জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য কেউ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।