এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষা মন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৫৮ অপরাহ্ন, ১৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৮ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আগামী ২০ জুলাই ফল প্রকাশ করা হবে, যা দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রচলিত সময়সূচির মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেশনজট কমাতে সিলেবাস শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এক বছর আগেই পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: সএসসি ২০২৬: ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৭ জন

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সারা দেশে ইনোভেশন, আইডিয়া, স্টার্টআপ ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী কার্যক্রম চলছে। এসব কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠান ২৮ ও ২৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিংয়ের ফাইনালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, আগামী ২০ জুন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে সুনাগরিক তৈরি হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রজন্মকে মোবাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর আসক্তি থেকে দূরে রাখতেও খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশে বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে “লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস” কর্মসূচি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও সম্প্রসারিত হবে।