রুশ ট্যাংকারে হামলা
ইউক্রেনের বন্দর ও জাহাজে পাল্টা হামলার হুমকি পুতিনের
রুশ পতাকা বহনকারী ট্যাংকারে টানা হামলার জবাবে এবার পাল্টা কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী সমুদ্রপথে “দস্যুতামূলক কর্মকাণ্ড” চালিয়ে যাচ্ছে এবং এর জবাবে রাশিয়া ইউক্রেনের বন্দর ও এসব বন্দরে আসা জাহাজে হামলা চালাতে পারে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন বলেন, রুশ জাহাজে হামলা কোনোভাবেই স্বাভাবিক যুদ্ধের অংশ নয়। তার ভাষায়, “ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী এখন যা করছে, তা দস্যুতার মতোই। রাশিয়া প্রথমে ইউক্রেনের বন্দর ও সেখানকার জাহাজগুলোকে টার্গেট করবে।”
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি এ ধরনের হামলা চলতে থাকে, তবে ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়া দেশগুলোর জাহাজেও হামলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। যদিও তিনি এটিকে সরাসরি সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি বিবেচ্য সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
পুতিন বলেন, “সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে— ইউক্রেনকে পুরোপুরি সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। সে ক্ষেত্রে এ ধরনের দস্যুতা করার সুযোগই থাকবে না।”
আরও পড়ুন: ইসরায়েলের নির্বাচনে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
সম্প্রতি পরপর তিনটি রুশ ট্যাংকারে হামলা হয়েছে, যা সামুদ্রিক ড্রোনের মাধ্যমে পরিচালিত বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা। এসব ঘটনায় উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে।
এদিকে সংঘাত থামাতে ও শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে মস্কো সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ এবং জারেড ক্রুশনার। পাঁচ ঘণ্টার বৈঠকের পরও কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ইউরি উসাকোভ।





