মাংস ছাড়াও প্রোটিন সম্ভব: নিরামিষাশীদের জন্য ৫ স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস

Any Akter
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৪০ অপরাহ্ন, ০৬ মে ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৩ অপরাহ্ন, ০৭ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নিরামিষাশীদের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত প্রশ্নগুলোর একটি—প্রোটিন কোথা থেকে পাওয়া যায়? তবে বাস্তবতা হলো, মাংস ছাড়াও সহজেই পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। সঠিক খাবার নির্বাচন করলেই নিরামিষ ডায়েটেও পুষ্টির ঘাটতি থাকে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের মাঝখানে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস বেছে নেওয়া শুধু ক্ষুধা মেটায় না, বরং শরীরে শক্তি জোগায় এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমায়। নিরামিষাশীরাও সহজেই এমন স্ন্যাকস থেকে পর্যাপ্ত প্রোটিন পেতে পারেন।

আরও পড়ুন: স্বামীর আচরণে এই পরিবর্তনগুলো দেখলে সতর্ক হোন, থাকতে পারে তৃতীয় কারও উপস্থিতি

নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন অনেক ক্ষেত্রে প্রাণিজ প্রোটিনের তুলনায় হৃদস্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী। ছোলা, বাদাম, অঙ্কুরিত শস্য ও পনিরের মতো খাবারগুলো তাই নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিরামিষাশীদের জন্য সহজলভ্য ও পুষ্টিকর ৫টি প্রোটিনসমৃদ্ধ স্ন্যাকস তুলে ধরা হলো—

আরও পড়ুন: পিংক সল্ট নাকি সাদা লবণ, স্বাস্থ্যের জন্য কোনটি ভালো? পুষ্টিবিদদের স্পষ্ট বার্তা

ভাজা ছোলা:

মুচমুচে ও সুস্বাদু এই স্ন্যাকস চিপসের স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার। বাড়িতেই সহজে তৈরি করা যায় এবং বহন করাও সুবিধাজনক।

গ্রিক ইয়োগার্ট:

প্রোটিনসমৃদ্ধ এই খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো, কারণ এতে প্রোবায়োটিক রয়েছে। ফল বা বাদাম মিশিয়ে খেলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়ে। তবে চিনি ছাড়া ইয়োগার্ট বেছে নেওয়া ভালো।

পনির:

নিরামিষ রান্নার অন্যতম প্রধান উপাদান পনিরে রয়েছে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম। এটি দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং গ্রিল বা মসলাযুক্ত করে খেলে স্বাদ আরও বাড়ে।

বাদাম মিক্স:

কাঠবাদাম, চিনাবাদাম ও আখরোটের মতো বাদামে রয়েছে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। ব্যস্ত জীবনে সহজে বহনযোগ্য এই স্ন্যাকস খেতে পরিমাণে সংযম রাখা জরুরি, কারণ এতে ক্যালোরি বেশি।

অঙ্কুরিত শস্যের সালাদ:

মুগ বা ছোলার অঙ্কুরিত শস্য দিয়ে তৈরি সালাদ প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ। সবজি, লেবুর রস ও মসলার সঙ্গে মিশিয়ে এটি একটি পুষ্টিকর ও সতেজ খাবার হয়ে ওঠে।

সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতন খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে নিরামিষাশীরাও সহজেই দৈনন্দিন প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে পারেন বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।