প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৫–১৭টি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ন, ২০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৮ অপরাহ্ন, ২০ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় নথি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। সফরকালে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে বলে তিনি জানান।

পররাষ্ট্র সচিব আরও জানান, রোববার (২১ জুন) প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এরপর সোমবার (২২ জুন) তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে যাবেন।

আরও পড়ুন: বগুড়ার তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনা, গণশুনানি হবে

তিনি বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। সফরে প্রতিনিধি দলের আকার তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যার সদস্য সংখ্যা ২৭ থেকে ২৮ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সফরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চীন সফরকালে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এছাড়া, লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে প্রায় ১,৭০০ প্রতিনিধি অংশ নেবেন, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

সফরের মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য, শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে জানানো হয়েছে। চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ জুন রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম শহিদুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।