মুদিদোকান, বিউটি পার্লারসহ নতুন খাত ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ন, ২৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১:৪৪ পূর্বাহ্ন, ০১ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং কর ব্যবস্থার আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মুদিদোকান, বিউটি পার্লারসহ বিভিন্ন নতুন ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরটি উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্প মোকাবিলায় ভারী সরঞ্জাম মালিকদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতিমূলক সভা

অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুদিদোকান ও বিউটি পার্লারের পাশাপাশি তৈরি পোশাক ও কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকস ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্যের বিক্রেতা, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার ব্যবসা এবং ডেকোরেটর সেবাকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া মোবাইল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ফ্রিজ, ওভেন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতাদেরও এই কর ব্যবস্থার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

আরও পড়ুন: হাদির হত্যা মামলার আসামি ও শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান

পরিকল্পিত তালিকায় আরও রয়েছে পেইন্ট, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলস, ঢেউটিন, রড ও সিমেন্টের দোকান, ফার্নিচার ব্যবসা, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং রেস্টুরেন্ট খাত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ সরকারের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। রাজস্বভিত্তি আরও শক্তিশালী করা এবং কর ব্যবস্থাকে অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে নতুন খাতগুলোকে ধাপে ধাপে ভ্যাটের আওতায় আনার রূপরেখা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন খাতগুলোকে ভ্যাট ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন হবে।