২৫ হাজার মিডওয়াইফ ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ১১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৩:২১ পূর্বাহ্ন, ১২ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকারি পর্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ২৫ হাজার মিডওয়াইফ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। তারা গর্ভবতী মায়েদের স্বাভাবিক বা নরমাল ডেলিভারিতে উৎসাহিত করবেন এবং মাতৃস্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্যখাতের জনবল সংকট কমাতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীও নিয়োগ দেওয়া হবে। এই জনবল দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: সৌদিগামী ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে এবং রোগীরা নিজ নিজ এলাকায় উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এতে গ্রামাঞ্চলের রোগীদের চিকিৎসার জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমবে।

আরও পড়ুন: প্রতারণার নয়া কৌশল হানিট্রাপ, সর্বস্ব হারাচ্ছে মানুষ

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ক্যাম্পাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তাকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যখাতে জনবল বৃদ্ধি, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতকরণ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও বিকেন্দ্রীকরণে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগও বাড়বে।