শিশু প্রাণঘাতী হাম মহামারি মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি

Sanchoy Biswas
সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৪১ অপরাহ্ন, ২১ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে শিশু প্রাণঘাতী হাম মহামারি মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ১৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবিতে সমাবেশ করেছে ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথ।

২১ মে ২০২৬, বুধবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: জনগণের অর্থে নির্মিত নতুন রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শিশু মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলছে। এ অবস্থায় সরকারের উচিত অবিলম্বে জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে হাম মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা।

বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুসারে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে কমপক্ষে ১৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুরবস্থা থেকে উত্তরণে এটি অপরিহার্য।

আরও পড়ুন: গুলশানে নিষিদ্ধ লীগের মিছিল করা আরও ৪০ জন গ্রেফতার

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক ডা. হারুনুর রশিদ, অধ্যাপক ডা. এম এইচ ফারুকী, ডা. গোলাম রাব্বানী, ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্যসহ বিশিষ্ট চিকিৎসকবৃন্দ।

রাজনৈতিক সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড সাজ্জাদ জহির, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাসদ নেতা জুলফিকার আলী, জাসদ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাবু এবং খেলাঘরের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিবিদ শ্যামল বিশ্বাস।

বক্তারা স্বাস্থ্য খাতের সংকট মোকাবিলায় সকল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং চিকিৎসা কেন্দ্রে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করেন।

সমাবেশ শেষে হাম মহামারিতে শিশু মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।