ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

Sanchoy Biswas
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২:০৬ পূর্বাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ‘ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে বিজ্ঞান মেলা’ শীর্ষক আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) কার্জন হল চত্বরে নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান। পরে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সেন্ট্রাল গ্যালারিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির আহ্বায়ক সম্পদ, সদস্যসচিব মাহফুজ

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশের বিভিন্ন সমস্যার বৈজ্ঞানিক সমাধান খুঁজে বের করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করতে সবার নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ঢাবির ৬ অধ্যাপককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি, সাদেকা হালিম সাময়িক বরখাস্ত

তিনি বলেন, “বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে এটিকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক সবুজ বিপ্লবে রূপ দিতে হবে।” এ জন্য তিনি সবুজ স্বেচ্ছাসেবা, ক্লাইমেট ইউথ ফেলোশিপ এবং পরিবেশ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের সরকারি কর্মসূচি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন মানব সভ্যতার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাতীয় নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

আলোচনা সভায় বক্তারা পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গঠন এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।