গাজা পুনর্গঠনে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্র্নিমাণ ও মানবিক সহায়তার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। বার্তাসংস্থা রয়র্টাম রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী বৃহস্পতিবার বোর্ড অব পিসের ট্রাস্টে সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেবেন। গাজা পুনর্গঠন ও সেখানকার বাসিন্দাদের মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এই অর্থ প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন প্রচেষ্টার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ প্রদানের অঙ্গীকার করেছে।

আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ১১

তিনি আরও জানান, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ অনুমোদিত স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। তবে এ জন্য হামাসকে পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি রক্ষা এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে বলে শর্ত দেন ট্রাম্প।

দাভোসে যাত্রা শুরু

গাজা যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান, পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা হিসেবে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করা হয় ট্রাম্পের উদ্যোগে। গত জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোস সম্মেলনের ফাঁকে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

বোর্ড অব পিসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাম্প নিজেই। নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের জামাতা ও সাবেক উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার , মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা।

এছাড়া এই বোর্ডে আর্জেন্টিনা, মিসর, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মরক্কো, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কিছু দেশকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

গাজা পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।