হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: মার্কিন যুদ্ধজাহাজ সরে যাওয়ার দাবি ইরানের
পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে বলে দাবি করেছে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি একটি “প্রচারমূলক সামরিক অভিযান” ছিল, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস মাইকেল মার্ফি এবং ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন নামের আর্লে বার্ক-শ্রেণির দুটি ডেস্ট্রয়ার প্রণালির কাছে পৌঁছালে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ সময় ইরানি বাহিনী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সক্রিয় করে এবং নজরদারির জন্য ড্রোন মোতায়েন করে বলে দাবি করা হয়।
একটি সামরিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, জাহাজ দুটি “সম্পূর্ণ ধ্বংসের কাছাকাছি” অবস্থায় পৌঁছেছিল এবং ইরান তাদের ৩০ মিনিটের মধ্যে পথ পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়। পরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এলাকা ত্যাগ করে বলে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার সেনাপ্রধান হচ্ছেন প্রথম নারী, দায়িত্বে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল
প্রেস টিভির দাবি, মার্কিন নৌবাহিনী শনাক্তকরণ এড়াতে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার কৌশল ব্যবহার করে এবং অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম বন্ধ রাখে। তবে ইরানের রাডার ও নজরদারি ব্যবস্থা পুরো সময় জুড়ে জাহাজগুলোকে ট্র্যাক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, হরমুজ প্রণালি তাদের পূর্ণ নজরদারির আওতায় রয়েছে এবং এ অঞ্চলে যেকোনো গোপন সামরিক অভিযান “অকার্যকর ও উসকানিমূলক” হবে।
এ ঘটনায় মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনার সময়েই ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।





