গুলশান লেক পরিচ্ছন্ন করছে উত্তর সিটি করপোরেশন

বাংলাবাজার পত্রিকা ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ন, ১৬ মার্চ ২০২৪ | আপডেট: ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, ১৬ মার্চ ২০২৪
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দীর্ঘদিন ধরে ময়লা আবর্জনা পড়া, শুষ্ক অবস্থায় থাকা, দুর্গন্ধময় গুলশানের লেককে পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। লেকটি রাজউকের অধীনে হলেও সিটি করপোরেশন নিজ দায়িত্বেই পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার (১৬ মার্চ) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে গুলশান লেক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, গুলশান লেক, বারিধারা লেক এখনো রাজউকের অধীনে আছে। তাদের আমি চিঠি দিয়েছি এগুলোকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে দিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু এই লেক এখনো রাজউকের অধীনে রয়ে গেছে। আমরা তাদের বলেছি এই লেক পরিস্কার করার জন্য, কিন্তু তারা করেনি, সিটি করপোরেশনকেও দেয়নি। কিন্তু কে আসলো, না আসলো আমরা সেটা দেখবোনা।

মেয়র বলেন, গুলশান মসজিদের সামনে লেকে জাহান্নাম থেকেও খারাপ অবস্থা হয়ে আছে। এই এলাকার মলমূত্র সব এখানে ফেলা হয়। এটি মেনে নেয়া যায় না। এই লেক গুলোতে মাছের চাষ হয় না, মশার চাষ হচ্ছে। আমি চাই এই লেক গুলোতে শিশুরা খেলবে। ওয়াটার টেক্সি চলবে। গুলশান এলাকার মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এই লেককে পরিষ্কার করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

মেয়র আতিক বলেন, এলাকায় অনেক গুলশান সোসাইটি মসজিদ আছে। এখানকার মুসল্লিরা প্রায়ই অভিযোগ জানায় পাশের লেক থেকে দুর্গন্ধ আসে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ আরাফাতকে পরিচ্ছন্নতা ও লেক পুনর্জাগরণ করার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বললে তারা নিজ থেকে স্বতঃস্পূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। সরকারের একার পক্ষে একটা সোসাইটিকে সুন্দর করা সম্ভব না যতক্ষণ না এখানকার মানুষই এগিয়ে আসে। আজকে এখানকার বিভিন্ন স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও শিশুরা এই কার্যক্রমে উপস্থিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ফাউন্ডেশন ও এখানে উপস্থিত হয়েছে।

বিভিন্ন জায়গা থেকে পয়ঃবর্জ্য এই লেকে এসে পড়ছে জানিয়ে তিনি জানান, আজকে থেকে এই এলাকায় অভিযান চলবে।