হাদিকে দুপুরে সিঙ্গাপুরে নেয়া হচ্ছে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা হাদির শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে এ বিষয়ে একটি জরুরি কল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর এবং ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদি।
আরও পড়ুন: ৩ মে রবিবার থেকেই শুরু হাওরের কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহ
সরকারি সূত্র জানায়, গত দুই দিন ধরে ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের মতামত ও পরিবারের সম্মতির ভিত্তিতে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয় প্রধান উপদেষ্টাকে।
প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান জানান, বর্তমানে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও অপরিবর্তিত রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনই তাকে বিদেশে নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
আরও পড়ুন: চার দিনের ডিসি সম্মেলনে উঠছে ৪৯৮ প্রস্তাব
সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় মেডিকেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগে ওসমান হাদির চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে, ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন।





