টিসিবির আদলে আসছে ‘কৃষক কার্ড’, শুরু হচ্ছে পাইলট প্রকল্প
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার। তবে প্রাথমিকভাবে এটি সারাদেশে একযোগে চালু না হয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আরও পড়ুন: ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন
মন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড নিয়ে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল কৃষক কার্ড দেওয়া—সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, যত দ্রুত সম্ভব ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু করা হবে।
সময় এখনো নির্ধারিত নয়
আরও পড়ুন: ভূমিকম্প মোকাবিলায় ভারী সরঞ্জাম মালিকদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতিমূলক সভা
কবে নাগাদ কার্ড বিতরণ শুরু হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রস্তুতিমূলক নানা বিষয় থাকায় নির্দিষ্ট সময় এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ লক্ষ্যে কাজ করছে।
মন্ত্রী জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। কৃষি জ্ঞান ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা হবে। সার, কীটনাশক ও বীজসহ কৃষি উপকরণে সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি, উৎপাদন অবস্থা ও আবহাওয়ার তথ্য পাওয়া যাবে, যা কৃষকদের উন্নত পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।
স্মার্ট প্রযুক্তিতে সরাসরি সুবিধা
প্রভাবশালী বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ রোধে সরকার স্মার্ট কার্ড প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো লিকেজ যেন না থাকে এবং কৃষক সরাসরি সুবিধা পান—সেজন্যই স্মার্ট কৃষক কার্ড চালু করা হচ্ছে। একজন সিম ব্যবহারকারী যেমন সরাসরি ব্যাংকিং বা অন্যান্য সেবা পান, তেমনি এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের সঙ্গে রাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরও জানান, সরকারের লক্ষ্য দেশের সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা। তবে শুরুতে নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সীমিত সংখ্যক কৃষককে নিয়ে পাইলট প্রকল্প চালু করে পর্যায়ক্রমে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।





