ঝিনাইদহে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে রুবেল খান (৩১) নামের এক বাংলাদেশি যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল মহেশপুরের সীমান্তবর্তী শ্যামপুর মাঠপাড়া গ্রামের মজিবুল খানের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
আরও পড়ুন: গাজীপুর সদর উপজেলায় জালিয়াতির মাধ্যমে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি খারিজের অভিযোগ, মামলা বিচারাধীন
স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রুবেলসহ কয়েকজন ব্যক্তি শ্রীনাথপুর বিওপি সংলগ্ন সীমান্তে অবস্থান করেন। এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হাসখালী থানার মাহেন্দ্র ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে রুবেল গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তার সঙ্গীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
রুবেলের স্ত্রী সানজিদা বেগম বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় আমার স্বামীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সমাপনী
তিনি দাবি করেন, সোমবার রাতে আমার স্বামী বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিএসএফের ছোড়া একটি গুলি তার বুকের বাম পাশে নিচের অংশে লাগে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঝিনাইদহ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। বর্তমানে তিনি জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবহিত করা হয়েছে।
শ্যামকুড় ইউপি চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বলেন, রাতে রুবেলসহ বেশ কয়েক জন অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছে ও বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীর রয়েছে এ বিষয়টি আমি লোক মুখে জানতে পারি।
এ ব্যাপারে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান জানান, ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে দায়িত্বরত প্রতিপক্ষ ১৯৪ বিএসএফ-এর মাহেন্দ্র কোম্পানি সদর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিজিবি তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ করে। তবে তারা রাবার বুলেট নিক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করে।





