সাতক্ষীরা ও দেবহাটায় ১৫ দিন ব্যাপী কারিগরি প্রশিক্ষন

নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে উৎপাদন উপকরণ বিতরণ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৭:২৮ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় নারী উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৪০ জন নারীকে স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদনের উপকরণ দিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রেরণা (PRERONA)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটায় সংস্থাটির পৃথক প্রকল্প কার্যালয়ে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।

জার্মানির সংস্থা WHH ও দেশটির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের (BMZ) সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘সাতক্ষীরা উপকূলীয় অঞ্চলে জননিয়ন্ত্রিত জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই জীবিকায়ন’ কর্মসূচির আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়াতে মুন্সিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

প্রকল্পের আউটপুট-৩-এর অধীনে ‘নারী’ (NARI) স্যানিটারি ন্যাপকিন উদ্যোক্তা উদ্যোগের নবম ও দশম ব্যাচের ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী ১৫ দিনব্যাপী কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর উৎপাদন উপকরণ পান।

সাতক্ষীরা সদরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। দেবহাটার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রেরণার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: গড় আয়ুতে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

বক্তারা বলেন, উৎপাদন উপকরণ নারীদের প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ব্যবসা শুরু করতে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে পণ্যের মান বজায় রাখা, বাজার সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত আয়ের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সমন্বয়, তদারকি ও কারিগরি সহায়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

উপকরণ পাওয়া প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, প্রশিক্ষণের পর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হাতে পেয়ে তাঁরা নিজেরাই স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারবেন বলে আশাবাদী। এর মাধ্যমে পরিবারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ উপকূলীয় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিনের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ার মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি চর্চা প্রসারেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।