স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার দায় ইশরাককে নিতে হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:২৯ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১:২৯ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যর্থতার দায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে নিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এমন এক বাগান, যেখানে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত: রিজভী

তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বিভিন্ন স্থানে তার দলের নেতাকর্মীরা হামলা ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইশরাক হোসেনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, মাদকের বিস্তার রোধের উদ্দেশ্য নিয়ে ইশরাক নতুনভাবে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার দায় অন্য একজনকে বহন করতে হচ্ছে। বিষয়টিকে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি সরকার সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বললেও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন না। গত তিন থেকে চার মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের ক্ষোভ ও কষ্টের বিষয়টি বোঝা প্রয়োজন।

মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের কেউ কষ্ট পান বা নিজেদের অবহেলিত মনে করেন।

এ বিষয়ে কথা বলার কারণে তাকে যেন ‘শাহবাগী’ কিংবা ‘হিন্দুদের নতুন সংস্করণ’ বলে আখ্যা দেওয়া না হয়, সেই আহ্বানও জানান তিনি। পাশাপাশি ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের অভিযোগ ও উদ্বেগ শোনার ওপর গুরুত্ব দেন এনসিপির এই মুখ্য সমন্বয়ক।