আশুলিয়ায় কারখানার ভেতরে শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য
আশুলিয়ায় একটি গার্মেন্টস কারখানার ভেতরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হাবিবুল্লাহ (৪০) নামে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে শ্রমিকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
নিহত হাবিবুল্লাহ নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার খেরকাঠি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় অবস্থিত গিল্ডেন জিএবি কারখানায় সুইং লোডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন: দাগনভুঞায় পরিবেশ মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা
কারখানার সিকিউরিটি ইনচার্জ মজিবর রহমান জানান, সকালে দায়িত্বে এসে তারা কারখানার সিঁড়ি ও লিফটের পাশের একটি স্থানে কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হাবিবুল্লাহকে ঝুলতে দেখেন। পরে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে ঘটনাটি নিয়ে কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলে সাধারণত শরীর পুরোপুরি ঝুলে থাকে। কিন্তু এখানে হাঁটু গেড়ে পা মাটিতে লাগানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে বলে তারা জানান। ফলে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: রায়পুরে উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
নাসিমা নামের এক শ্রমিক বলেন, "কয়েকদিন ধরে কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। বন্ধ কারখানায় এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। পুরো কারখানাই সিসিটিভির আওতায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কড়া। তাই অনেকের ধারণা, ঘটনাটির পেছনে অন্য কিছু থাকতে পারে।"
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, "ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"





