ঈশ্বরগঞ্জে কুপিয়ে জখম ৪, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক বৃদ্ধ ও তার তিন ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রধান অভিযুক্তের দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
ঘটনাটি গত ২৪ মার্চ বিকেলে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের হারুয়া বাজারে ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন আবুল কাশেম ফকির (৫৫) এবং তার তিন ছেলে—জাহাঙ্গীর আলম (২৮), জাকির (২২) ও শাকিল (২০)। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাদের এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।
আরও পড়ুন: গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আবুল কাশেম ফকির ও তার ছেলে জাকিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ ঘটনায় ২৬ মার্চ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন—বকুল ভূঞা (৪৫), তফাজ্জল (৩৫), আশিক (২৩), কাউসার (২২), মামুন (২৯), হুমায়ূন ফকির (৩৬), সেলিম ফকির (৩২) এবং তৈয়ব আলী ফকির (৪৭)।
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ে এমপি মান্নানের লিফলেট বিতরণ
অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে এসআই ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি বকুল ভূঞার দোকানঘর থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
আহত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "বকুল ভূঞা ও তার লোকজন অত্যন্ত উগ্র প্রকৃতির। তারা আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়েছে। আমরা এই সন্ত্রাসী হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বকুল ভূঞার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আজম জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





