এই অর্জন পুরো থানার’: গোপালগঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওসি কাশিয়ানীর মাহফুজুর
গোপালগঞ্জ জেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। জেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুর দুইটায় গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ।
কল্যাণ সভায় জুন মাসের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ ওসির পাশাপাশি জেলার শ্রেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই), শ্রেষ্ঠ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং শ্রেষ্ঠ কনস্টেবলদেরও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সিংড়ায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী আটক
সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, "পুলিশের মূল দায়িত্বই হলো সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) তামিলের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। ভালো কাজের এই স্বীকৃতি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজের স্পৃহা ও মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।" তিনি আরও বলেন, "থানায় আসা কোনো সেবাপ্রার্থী যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে এবং শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।"
শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা পাওয়ার পর কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা কে বলেন, "যেকোনো কাজের স্বীকৃতি দায়িত্ববোধকে আরও বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জন আমার একার নয়, এটি পুরো কাশিয়ানী থানা পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টার ফল। কাশিয়ানী থানার সাধারণ মানুষ যাতে খুব সহজে ও দ্রুততম সময়ে আইনি সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই প্রচেষ্টা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিলো দুর্বৃত্তরা
কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) মো. নাফিছুর রহমান এবং সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. হাসানুর রহমান।
এ ছাড়া সভায় জেলার সব থানার অফিসার ইনচার্জ, বিভিন্ন তদন্ত কেন্দ্র ও ফাঁড়ি থেকে আসা পুলিশ পরিদর্শক এবং পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





