লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবির অভিযানে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

Shahrier Islam Pallab
মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭৬টি ভারতীয় স্বর্ণ কাতান শাড়ি জব্দ করেছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)। জব্দ করা শাড়িগুলোর আনুমানিক সিজার মূল্য ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে অভিযানের সময় চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধীনস্থ অনন্তপুর বিওপির একটি টহলদল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বালাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন: গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

অভিযান চলাকালে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে বিজিবির টহলদল তাদের থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে টহলদল তাদের ধাওয়া করে।

একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা তাদের সঙ্গে থাকা মালামাল ফেলে দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭৬টি ভারতীয় স্বর্ণ কাতান শাড়ি উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ে এমপি মান্নানের লিফলেট বিতরণ

বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা শাড়িগুলোর সিজার মূল্য ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, অভিযানের ঘটনায় চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ এর ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং পুশইনের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয়দেরও এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।