দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির বিশাল সমাবেশ ও মিছিল

Sadek Ali
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে এক বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী পৌর শহরের ঝাউতলায় আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন, জেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনুসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এতে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: শ্যামনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৫ই আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কিছু দল ব্যক্তিস্বার্থ ও ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালিয়েছিল, তবে সাধারণ জনগণ তা প্রত্যাখান করেছে। জনগণ ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে বসিয়েছে। এখন পরাজিত ও সুযোগসন্ধানী রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি ও দেশের সাধারণ মানুষ এই দেশবিরোধী চক্রান্ত কখনো মেনে নেবে না। অবিলম্বে এই চলমান সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য বন্ধ করা না হলে রাজপথে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি তা কঠোরহাতে প্রতিহত করবে।

সংগঠনিক বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সারা দেশে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন চলছে। দলীয় কমিটিতে কোনো হাইব্রিড নেতা, মাদকসেবী বা মাদক ব্যবসায়ীর স্থান হবে না। আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের যোগ্য মূল্যায়ন করা হবে। একই সঙ্গে সমাজ ও দেশকে মাদকমুক্ত করতে বিএনপির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার

সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা ঝাউতলায় সমবেত হতে থাকেন। জেলার আটটি উপজেলা থেকে প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও মাদকের বিরুদ্ধে নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেওয়া হয়।