মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন
সর্বমিত্র চাকমার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য ও মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই ইস্যুতে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নুরুল গনি সগীর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্ট ও বক্তব্যে নুরুল গনি সগীরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মতো গুরুতর ও ফৌজদারি অভিযোগ উত্থাপন করেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব অভিযোগে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের ভাতা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাউশির
এ ঘটনায় নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নাজমুস সাকিব সর্বমিত্র চাকমার কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নোটিশ প্রাপ্তির ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত বক্তব্য ও পোস্ট প্রত্যাহার করে ভিডিওবার্তা ও ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নুরুল গনি সগীর বলেন, আমি কখনো কোনো অবৈধ দোকান বসানো, চাঁদাবাজি কিংবা অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। ২৮ ডিসেম্বর রাতে বড় ভাই–ছোট ভাইয়ের সম্পর্কের জায়গা থেকে কেবল একটি মধ্যস্থতামূলক ফোনকল হয়েছিল। সেখানে কোনো অর্থ দাবি বা চাপ প্রয়োগের বিষয় ছিল না। অথচ সেই ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আমাকে চাঁদাবাজ হিসেবে ফ্রেমিং করা হয়েছে।”
আরও পড়ুন: ৫০তম বিসিএস প্রিলি আজ, ২ লাখ ৯০ হাজার চাকরিপ্রার্থী
তিনি আরও বলেন, ডাকসু সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সর্বমিত্র চাকমা এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। সম্প্রতি খেলার মাঠে শিশুদের সঙ্গে তার আচরণও ন্যাক্কারজনক ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, সর্বমিত্র চাকমার এই বক্তব্য ও আচরণ বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। এর আগে ২৫ ডিসেম্বর ক্ষমা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনের আহ্বান জানানো হলেও অভিযুক্ত পক্ষ তা উপেক্ষা করেছে।
নোটিশের অনুলিপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সিন্ডিকেট, প্রক্টর, ডাকসুর ভিপি ও জিএসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।





