চলন্ত ট্রেনে প্রথমবার চালু স্টারলিংক ইন্টারনেট
প্রথমবারের মতো চলন্ত ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে স্যাটেলাইটভিত্তিক উচ্চগতির ‘স্টারলিংক’ ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড। এর ফলে যাত্রীরা এখন ট্রেনের ভেতরেই ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
সরকারের উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
শুক্রবার থেকে দেশের কয়েকটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনটি ট্রেনে যাত্রীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন। ট্রেনগুলো হলো— পর্যটক এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং বনলতা এক্সপ্রেস।
এর আগে ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সকল বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা চালু করা হবে।
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ রেলওয়েতে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে দুই দফা পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, দেশের কানেক্টিভিটি বাড়াতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। চলন্ত ট্রেনে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট চালুর ফলে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সেবাটিকে আরও উন্নত করা হবে।
ইমাদুর রহমান বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। চলন্ত ট্রেনে এই সেবা চালু হলে যাত্রীরা আরও আধুনিক সুবিধা পাবেন এবং রেলভ্রমণ হবে আরও সহজ ও আরামদায়ক।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনেও স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে। এতে ট্রেনের ভেতর বসেই যাত্রীরা অনলাইন ক্লাস, ফ্রিল্যান্সিং বা অফিসের কাজ করতে পারবেন।





