ইরানকে ‘নিঃশেষ’ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে আরব মুসলিম দেশগুলো

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১:১৩ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ব্যাপক হামলা শুরুর পর টানা ১৮ দিন ধরে সংঘাত চলছে। তবে শুরুতে নিরপেক্ষ থাকলেও এখন অবস্থান বদলেছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো।

রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাচ্ছে যেন ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান এখনই বন্ধ না করা হয়। তাদের আশঙ্কা, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট ও অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ সন্ত্রাসবাদবিরোধী উপদেষ্টা জো কেন্টের পদত্যাগ

একই সঙ্গে কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ওয়াশিংটন উপসাগরীয় দেশগুলোকে এই যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এতে করে আঞ্চলিক সমর্থন দেখিয়ে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের পক্ষে আঞ্চলিক সমর্থন তুলে ধরতে আগ্রহী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনি যেভাবে অল্পের জন্য ‘বেঁচে গেছেন’, জানাল দ্য টেলিগ্রাফ

গালফ রিসার্চ সেন্টার-এর চেয়ারম্যান আব্দুলআজিজ সাগের বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে এখন এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর সব ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে।

সংঘাত শুরুর পর থেকে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। প্রথমদিকে শুধু মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করলেও পরে বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও পরিবহন খাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।

রয়টার্স জানিয়েছে, উপসাগরীয় ছয়টি দেশে এসব হামলা চালিয়েছে ইরান, যা অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। দেশগুলোর আশঙ্কা, ইরানের সামরিক সক্ষমতা অটুট থাকলে ভবিষ্যতে তারা জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোকে জিম্মি করতে পারে।

এ কারণে আরব দেশগুলোর একটি অংশ এখন চাইছে, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি দুর্বল করে দেওয়া হোক।