ভারতে পুনর্গঠিত চলচ্চিত্র সনদ বোর্ড
ভারতের চলচ্চিত্র সনদ প্রদানকারী সংস্থা কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সনদ বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন ১৮ সদস্যের বোর্ডে স্থান পেয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা, অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী ও সুনীল শেঠি। এ ছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রিয়দর্শন এবং গ্র্যামি পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী রিকি কেজও নতুন বোর্ডের সদস্য হয়েছেন।
ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৬ সেপ্টেম্বর নতুন বোর্ডের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন সদস্যরা তিন বছর অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে যেটি আগে কার্যকর হবে, সেটিই তাঁদের মেয়াদের শেষ সময় হিসেবে বিবেচিত হবে।
আরও পড়ুন: মোদির ৭৬তম জন্মদিনে তারকাদের শুভেচ্ছার ঢল, কে কী বললেন?
নতুন বোর্ডে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টেলিভিশন, সংগীত, সাহিত্য ও মঞ্চশিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন মনোজ যোশী, রূপালি গাঙ্গুলি, পল্লবী যোশী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও নিশিগন্ধা ওয়াড।
চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে রয়েছেন প্রিয়দর্শন, অভিষেক জৈন ও নীলা মাধব পাণ্ডা। প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সুপ্রিয়া ইয়ারলাগাড্ডা। সংগীতের জগত থেকে রয়েছেন রিকি কেজ ও হংসরাজ হংস। কবি ও লেখক যতীন্দ্র মিশ্র, চলচ্চিত্র সমালোচক বিনোদ অনুপম, মঞ্চব্যক্তিত্ব ওয়ামন কেন্দ্রে এবং লেখক রমেশ পতঙ্গেকেও বোর্ডে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নব্বইয়ের ক্যাম্পাসের প্রেম-বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে আসছে ‘চিরকুট’
নতুন বোর্ডের নেতৃত্ব দেবেন কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সনদ বোর্ডের চেয়ারম্যান শশী শেখর ভেম্পতি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের বোর্ডের দুই সদস্য ওয়ামন কেন্দ্রে ও রমেশ পতঙ্গে নতুন বোর্ডেও দায়িত্ব পেয়েছেন।
কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সনদ বোর্ড ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। জনসাধারণের জন্য প্রদর্শিত চলচ্চিত্র পরীক্ষা করা এবং নির্ধারিত আইন ও বিধিমালা অনুসারে সেগুলোকে সনদ প্রদান করা এই সংস্থার প্রধান দায়িত্ব।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫২ সালের চলচ্চিত্রচিত্র আইন এবং ২০২৪ সালের চলচ্চিত্রচিত্র (সনদ প্রদান) বিধিমালার আওতায় এবারের বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালের আগস্টে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সনদ বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্গঠিত হয়েছিল। এরপর নতুন বোর্ডের সদস্য নিয়োগ না হওয়ায় আগের সদস্যরা তাঁদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও উত্তরসূরি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন বোর্ডে চলচ্চিত্র, সংগীত, সাহিত্য ও মঞ্চজগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির ফলে ভারতের চলচ্চিত্র সনদ প্রদান ব্যবস্থায় এবার নতুন একটি পরিসর তৈরি হলো।





