খামেনিকে হত্যা, ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হামলার ঘোষণা ইরানের
ইরানজুড়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র অতর্কিত হামলা শুরু করেছে—এমন দাবি করা হয়েছে। দেশ দুটির যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।
ইসরায়েল দাবি করেছে, হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধানও নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যম বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ হামলায় ইরানে অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন—এমন তথ্য বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।
আরও পড়ুন: ইরানে অভিযান চার সপ্তাহ চলতে পারে: ট্রাম্প
খামেনির মৃত্যুর পর আইআরজিসি একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হবে এবং অধিকৃত অঞ্চল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হবে।
পাল্টা হুঁশিয়ারি ও অভিযানের ঘোষণা
আরও পড়ুন: ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি ইরানের বর্তমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘সিংহের গর্জন’। দেশটির দাবি, এই অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাবি আসছে এবং স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।





