ইরানে শাসন পরিবর্তন এখনই সম্ভব নয়

যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহ সময় যুক্তরাষ্ট্রের

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ১৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ১৪ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন আগামী দিনগুলোতে সম্ভব নয় বলে মূল্যায়ন করেছে একটি সূত্র। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, তেহরানে শাসন পরিবর্তন ঘটাতে হলে স্থল সেনা অভিযান চালাতে হবে অথবা ব্যাপক অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভের পুনরুত্থান ঘটতে হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এর কোনোটি সম্ভাব্য বলে মনে হচ্ছে না।

এ অবস্থায় যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

আরও পড়ুন: ওসমান হাদি হত্যা: আসামিদের পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতে আটক

সূত্রটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান উদ্বেগ হলো এই সংঘাতের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব।

অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করছে, তারা সামরিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা

এর আগে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর আগে সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করেনি। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড পরিমাণ তেল উৎপাদন সত্ত্বেও সংঘাতের কারণে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে গ্যাসোলিনের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৬০ সেন্ট বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দামবৃদ্ধি ট্রাম্পের ঘোষিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পরিকল্পনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে।

বাজারের উদ্বেগ কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এর আগেও জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারকদের বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ঘাটতি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।