পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানে মার্কিন হামলা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২০ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার জেরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ঘটনাটির জবাবে ‘সমানুপাতিক প্রতিরক্ষামূলক অভিযান’ পরিচালনা করা হয়েছে। এক্সিওস

মঙ্গলবার (৯ জুন) শুরু হওয়া এ হামলার পর ইরানের হরমুজগান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বন্দর আব্বাস, কেশম ও সিরিক এলাকায় হামলার প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল

এর আগে সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হেলিকপ্টারটি ইরানের হামলায় ভূপাতিত হয়েছে এবং এর জবাব দেওয়া হবে। হেলিকপ্টারে থাকা দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছেন। 

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার অভিযানে প্রথমবারের মতো একটি স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছে। ওই ড্রোনের সহায়তায় দুই সেনাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলের নির্বাচনে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, রাডার ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় সামরিক স্থাপনাগুলো। সেন্টকম দাবি করেছে, এটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ নয়; বরং আত্মরক্ষামূলক ও সীমিত পরিসরের প্রতিক্রিয়া। 

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরগচি যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপের উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে এবং অঞ্চলজুড়ে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কয়েক দফা বেড়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সর্বশেষ এ ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।