জামিন পেলেন সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।
রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে তাঁর পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
আরও পড়ুন: তাহসিফ হত্যা মামলা: নতুন করে তরুণী গ্রেপ্তার, বন্ধু দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে
এর আগে গত ৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন তাঁর জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবীরা।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ অক্টোবর বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: তাহসিফ হত্যা মামলা: ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপের ৪ দিনের রিমান্ড
এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাঁদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে তাঁরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এজাহারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয় এবং দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। এ অবস্থায় কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা করা হয়।





