সরকার সুষ্ঠু, নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব
অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও ভালো নির্বাচন উপহার দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রেস সচিব জানান, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি। মনোনয়নপত্র জমা নিয়েও কোনো সংকট তৈরি হয়নি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “আমরা আশা করছি অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে। গণভোট নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হবে। সে অনুযায়ী যা যা প্রয়োজন, সবই করা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন: চা বিক্রেতা নানী-নাতনী’র কাছে ‘ঈদ উপহার’ পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভোটাররা যথেষ্ট সচেতন। গণভোটের বিষয়ে সরকার প্রচারণা চালাচ্ছে। ভোটের গাড়ি সারা দেশে ঘুরে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করছে।
মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীদের জন্য কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেশে মোবাইল ফোন শিল্পের প্রসার ঘটবে এবং নতুন উদ্যোক্তারা উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বিদেশ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এনে রিপাবলিশ করে বিক্রি করা হয়, যা ক্রেতাদের জন্য ক্ষতিকর এবং এতে সরকারও রাজস্ব হারায়। দেশীয় উৎপাদন বাড়লে মোবাইল ফোনের দাম কমবে এবং ভোক্তারা উপকৃত হবেন।
তামাক ব্যবহার প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, তামাকের কারণে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা যায়। তামাকের ব্যবহার কমাতে সরকার তামাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করেছে। এ আইনের মাধ্যমে উন্মুক্ত স্থানে তামাক সেবনের হার কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার জানাজায় সার্কভুক্ত পাঁচটি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে পাকিস্তান, নেপাল ও মালদ্বীপের মন্ত্রীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।





