রমজানে ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৪৭ অপরাহ্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ২:৪৭ অপরাহ্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রমজান উপলক্ষে দেশে জনপ্রতি সাদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও একই হার বহাল ছিল।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের জন্য এ হার নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানের ঘটনা: ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’, বলছে ঢাকা

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান। তার পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।

কোন পণ্যে কত ফিতরা

আরও পড়ুন: জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: শ্রমমন্ত্রী

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সামর্থ্য অনুসারে গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনির—যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা তার বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে প্রদান করা যাবে।

* গম/আটা: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা বাজারমূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)।

* যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) বা বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)।

* কিসমিস: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা বাজারমূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে)।

* খেজুর: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা বাজারমূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা ধরে)।

* পনির: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা বাজারমূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে)।

এসব পণ্যের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় খুচরা বাজারে দামের তারতম্য থাকতে পারে; সে অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি।