অস্থিরতায় জ্বালানি তেল বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করলো সরকার

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ন, ০৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৭:৪৬ অপরাহ্ন, ০২ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ার প্রেক্ষাপটে সরকার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা আজ (৬ মার্চ) থেকে কার্যকর হচ্ছে।

বিপিসি জানায়, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫% আমদানি করতে হয়। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে তেল মজুত সম্পর্কিত নেতিবাচক তথ্য প্রচারের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে। এতে ডিলার ও ভোক্তারা অতিরিক্ত তেল মজুত করছেন, যা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৩ মে রবিবার থেকেই শুরু হাওরের কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহ

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী:

মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল/অকটেন প্রতি দিন।

আরও পড়ুন: রোববার রাতে শপথ নেবেন ৪৯ জন নারী এমপি

ব্যক্তিগত গাড়ি (কার): সর্বোচ্চ ১০ লিটার।

এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাস: ২০–২৫ লিটার সর্বোচ্চ।

লোকাল বাস ও পিকআপ: ৭০–৮০ লিটার ডিজেল দৈনিক।

দূরপাল্লার বড় বাস, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান: ২০০–২২০ লিটার সর্বাধিক।

ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় প্রত্যেক ভোক্তাকে রসিদ গ্রহণ করতে হবে। পরবর্তী ক্রয়ে আগের রসিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। ডিলারদের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আনা হয়েছে; তারা শুধুমাত্র বর্তমান মজুত ও বিক্রির তথ্য প্রদান করলে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল দেওয়া হবে না।

বিপিসি আশা করছে, এই পদক্ষেপ বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ভোক্তাদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক কমাতে সাহায্য করবে।