‘জুলাই সুরক্ষা’ অধ্যাদেশে ঐকমত্য, সংসদে হুবহু উপস্থাপন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৫৭ অপরাহ্ন, ২৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, ২৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশগুলোর পর্যালোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, বিশেষ করে ‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত হয়েছেন এবং এগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: বহুমুখী চ্যালেঞ্জে সরকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, কিছু অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রেখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করবে। দ্বিতীয়ত, কিছু অধ্যাদেশ প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ বিল হিসেবে উত্থাপন করা হবে। তৃতীয়ত, যেসব অধ্যাদেশে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেগুলো বর্তমান অধিবেশনে ‘ল্যাপস’ (বাতিল) হয়ে যাবে এবং প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে নতুন বিল হিসেবে আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী নতুন বিল পাসের আগে বিদ্যমান অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করানো জরুরি, যাতে আইনি জটিলতা এড়ানো যায়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে তদন্তে কমিটি

পরবর্তী বৈঠকের প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ২৯ মার্চ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী সেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে বাকি থাকা বিষয়গুলোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

‘জুলাই সুরক্ষা’ অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা জুলাই জাতীয় সনদকে প্রাধান্য দিয়ে সাংবিধানিকতা রক্ষা ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী প্রতিটি বিল বিবেচনা করছি।”

তিনি জানান, অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শেষ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন রয়েছে।