তিন সংকটে বাজেট প্রণয়ন চ্যালেঞ্জিং: অর্থমন্ত্রী
ভঙ্গুর অর্থনীতি, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ—এই তিনটি বড় সংকটের মধ্যে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এর সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায় এবং আন্তর্জাতিক অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে, যা বাজেট প্রণয়নে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাবও দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট প্রণয়ন করতে চায় যেখানে রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব হবে, কিন্তু বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এ লক্ষ্যেই তিনি প্রথমবারের মতো এনবিআরে গিয়ে বাজেট সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি বাজেটের প্রধান লক্ষ্য হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে হবে।
তবে বাড়তি ব্যয়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি, পরিস্থিতিকে কঠিন করে তুলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে অতিরিক্ত টাকা ছাপাতে চায় না। বরং ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।





