পাঁচ দশক পর বাবা-ছেলের নামফলক পাশাপাশি

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৩ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২:৫৩ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পঞ্চাশ বছর আগে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী-যদুনাথপুর খাল খননের মাধ্যমে যে কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দীর্ঘ সময় পর সেই একই খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিলেন তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফলে ইতিহাসের এক অনন্য মুহূর্তে এখন খালপাড়ে পাশাপাশি অবস্থান করছে বাবা ও ছেলের দুটি নামফলক।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে দেশের তিনটি স্থানে প্রতীকীভাবে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলেন তিনি। উদ্বোধন শেষে খালপাড়ে আয়োজিত সুধী সমাবেশেও যোগ দেন সরকারপ্রধান।

আরও পড়ুন: প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সংসদে মির্জা ফখরুল

এর আগে খালপাড়ে একটি ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে লেখা রয়েছে— ‘যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন উলশী খাল (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬।’

উল্লেখ্য, শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খননের উদ্বোধন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে এটি ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিতি পায়। সে সময় তিনি সেনাপ্রধান ও উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের ভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ কমিয়ে ৬ মাস করল সরকার

খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পুনঃখনন করা হচ্ছে। ১৯৭৬ সালে খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বেতনা নদী’ পুনঃখনন কার্যক্রমও উদ্বোধন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পে জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ফলক এখনো সংরক্ষিত রয়েছে। সেখানে লেখা— ‘উলশী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

পুনঃখনন কার্যক্রমের মাধ্যমে খালটির নাব্যতা ফিরিয়ে এনে স্থানীয় কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।