স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হঠাৎ রমনা থানা পরিদর্শন

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ও জুয়া বিরোধী ডিএমপির বিশেষ অভিযান

Sanchoy Biswas
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ন, ০২ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, ০৮ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীতে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক ও অনলাইন জুয়া বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। নির্বাচন পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার সকল অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু চাঁদাবাজি, জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযানের লক্ষ্যে তালিকা তৈরি করে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মে মাসের শুরুতে ঢাকা থেকে এই অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।

রাজধানী ঢাকায় চাঁদাবাজবিরোধী অভিযান উপলক্ষে রোববার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ সরোয়ার ব্রিফ করবেন।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র এন এম নাসিরুদ্দিন, উপ-পুলিশ কমিশনার, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানায়, সরকারের নির্দেশনায় রাজধানী ঢাকাকে নিরাপদ আবাসভূমি গড়ে তুলতে জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশের নেতৃত্বে ডিবি, আনসার, সিটিটিসি ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহায়তায় মহল্লায় মহল্লায় ব্লক রেইড করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এক বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ চলতি মাসের শুরুতে মাদকবিরোধী এই অভিযানের ঘোষণা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার দুপুরে রাজধানীর রমনা থানা হঠাৎ করে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি থানার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।

থানা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী থানার বিভিন্ন কক্ষ ও হাজতখানাসহ সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি থানার ওসি ও ডিউটি অফিসারসহ কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

মন্ত্রী সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ জনগণকে (সেবাগ্রহীতাদের) সেবা প্রদানের জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কারও বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন।