প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনালে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ন, ২০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৭ অপরাহ্ন, ২০ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)’-এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের নৈপুণ্য উপভোগ করতে ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার দিকে তিনি আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন

সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চারটি বিদ্যালয় ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।


আরও পড়ুন: রিয়াদে বিমানবন্দর বন্ধ, ঢাকায় আটকা প্রায় ৩ হাজার যাত্রী

বালিকা বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অন্যদিকে বালক বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

টুর্নামেন্ট উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ৬ এপ্রিল শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১ লাখের বেশি ছাত্র এবং ১১ লাখের বেশি ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ধাপ অতিক্রম করে সেরা দলগুলো জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং ক্রীড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই আয়োজন। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আগামী আসরে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।