সীমান্তে থার্মাল ড্রোন ও নাইট ভিশন দিয়ে নজরদারি করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৫৭ অপরাহ্ন, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৭ অপরাহ্ন, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সীমান্তের দুর্গম ও বিস্তীর্ণ এলাকায় জনবল দিয়ে সরাসরি নজরদারি করা কঠিন। তাই এসব এলাকায় ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স, নাইট ভিশন ও থার্মাল ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিলেটে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভিল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: বহুমুখী চ্যালেঞ্জে সরকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ বিজিবি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য পদক্ষেপ। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার এবং রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার ও মেরামতের অঙ্গীকারে প্রযুক্তি ও জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশকে মেধা, প্রযুক্তি ও জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে তদন্তে কমিটি

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন বাহিনী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রযুক্তি ও ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

সীমান্ত নজরদারি সম্পর্কে তিনি বলেন, এমন অনেক দুর্গম ও বিস্তৃত এলাকা রয়েছে, যেখানে বিপুলসংখ্যক জনবল মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা বাস্তবসম্মত নয়। এসব এলাকায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। নাইট ভিশন ও থার্মাল ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় চলাচল শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, আধুনিক এই প্রযুক্তির সাহায্যে সীমান্তের অপর পাশের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একই সঙ্গে চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের মতো কর্মকাণ্ড শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহারিক প্রদর্শনও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সার্ভিল্যান্স ও ড্রোন ওয়ারফেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করে বেসামরিক জনবলকেও এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষ ও প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা গেলে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যেই সীমান্ত স্কুলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করা হয়েছে।