নিয়ন্ত্রণে চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও তারের জটে আগুন নেভাতে বেগ
রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে একটি সাততলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় লাগা আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। সরু সড়ক, ভবনঘেঁষা বিদ্যুতের খুঁটি ও চারপাশে ঝুলে থাকা অসংখ্য তারের কারণে আগুনের উৎসে পানি পৌঁছাতে বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পুরো এলাকায় তৈরি হয় ধোঁয়ার কুণ্ডলী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে বিকেল ৫টার পর অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
আরও পড়ুন: ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে বিমানের সব ফ্লাইট বন্ধ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চকবাজারের ওই এলাকার সড়ক বেশ সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয়। ভবনটির পাশেই আরেকটি ভবন থাকায় আগুনের শিখা দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ ও ওয়াই-ফাইয়ের জট পাকানো তার যুক্ত হওয়ায় আগুনের উৎসে পানি পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড়ও ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর আশপাশের মার্কেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভবনটিতে কর্মরত কয়েকজন পাশের ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন। পরে তাঁদের সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার
মার্কেটের এক কর্মচারী জানান, সেখানে চা পান ও ধূমপানের জন্য ছোট দোকান রয়েছে। এসব দোকানের কোনো একটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই মার্কেটে মূলত ব্যাগ ও ছাতার বেচাকেনা হয় বলেও জানান তিনি।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাঁদের ৯টি ইউনিট কাজ করেছে। ভবনের ভেতরে আগুনের তীব্রতা কম থাকলেও প্রচুর ধোঁয়া ছিল। সরু রাস্তার কারণে আগুন নেভানোর কাজে বেগ পেতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভবনের ভেতরে কেউ আটকে থাকার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।





