সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বিএনপির এলিজা জামান
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামান। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় একমাত্র প্রার্থী থাকায় এ আসনে আর ভোটের প্রয়োজন হচ্ছে না। সোমবার (২ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণার তথ্য জানানো হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈনুদ্দীন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। ওই সময়ের মধ্যে এলিজা জামান প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়। তালিকায় একমাত্র প্রার্থী থাকায় তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মিল্টন, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর
এর আগে গত ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈনুদ্দীন খান। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, একাধিক প্রার্থী না থাকায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হলে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এরও আগে ২৬ অক্টোবর দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন এলিজা জামান।
সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম আলোচনায় আসে। এ ঘটনার পর বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, এনসিপিসহ শরিকদের সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব?
পরে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। এরপর শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।





