সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ , উপচে পড়া ভিড় নেতাকর্মীদের
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ইসলামি সংগীতের মাধ্যমে ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এরপর ইসলামি ভাবধারার সংগীত ও ১৯৭৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে নামাজের বিরতি দেওয়া হয়। আজানের পর মূল মঞ্চ ও উদ্যানের মাঠজুড়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে নামাজ আদায় করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। নামাজের বিরতি শেষে দুপুর ২টায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এসময় পুরো উদ্যান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আশপাশের এলাকাও নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ঠাসা হয়ে উঠে।
আরও পড়ুন: নান্দাইলের জুলাই যোদ্ধা শহীদ জুবাইদের পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিলেন ছাত্রদল
সমাবেশের মূল পর্বের শুরুতেই দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, ছাত্রশিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
সমাবেশে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছে জামায়াতে ইসলামি, যার মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন নিশ্চিত করা। দলের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সকল গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন,প্রবাসী এক কোটির বেশি ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ
আরও পড়ুন: ভারত সব দলকে পকেটে ঢুকিয়েছে, একটি দলকে পারেনি: জামায়াত আমির
এ সমাবেশকে ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।





