শিক্ষিত মানুষ তৈরি করে তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে: ড. এম এ কাইয়ুম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, আধুনিক, সমৃদ্ধিশালী ও যুগোপযোগী রাষ্ট্র গঠন করতে হলে শিক্ষিত মানুষ তৈরি করে তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে।
আজ সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাড্ডা হাই স্কুলের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: যুবদলের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ যুবদলের ফুলেল শুভেচ্ছা
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আমাদের নবী জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে পর্যন্ত যেতে বলেছেন। পড়াশুনা ছাড়া নিজেকে এবং দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব প্রদান করা সম্ভব নয়। তাই তোমাদের উচিত আগামীর জন্য প্রস্তুত হওয়া।”
তিনি আরও বলেন, “ক্ষমতায় টিকে থাকতে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা শেখ হাসিনা করেননি। গুম, খুন, হত্যা ও নির্যাতন সবই করেছে, তবুও সে টিকে থাকতে পারেনি। এ দেশে ব্রিটিশ বা পাকিস্তানিরাও বল প্রয়োগ করে টিকে থাকতে পারেনি। দেশের মানুষ স্বাধীনচেতা। এখানে কোনো অত্যাচারীর ঠাঁই হয়নি এবং হবে না। দেশের মানুষ বিশ্বস্ত গণতান্ত্রিক দল বিএনপির অপেক্ষায় আছে।”
আরও পড়ুন: বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদল সহ সভাপতি ডাঃ আউয়ালের নেতৃত্বে মিছিল
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “রাষ্ট্র সব কাজ করবে না। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সংস্কার কার্যক্রম করতে হবে। স্বৈরাচার দেশের ভিত্তি নষ্ট করেছে, এখন আমাদের দায়িত্ব একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু দেশ গঠন করা। আপনারা আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে এই দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিলুপ্তি সম্ভব। আপনার সহযোগিতায় ঢাকা-১১ আসনকে অপরাধমুক্ত করা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।”
ভোট চেয়ে তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা কেউ ভোট দিতে পারিনি। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আপনারা সবাই ভোট দিতে যাবেন। এবারের নির্বাচন হবে সুষ্ঠু। তাই নিজের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার পথ প্রসারিত করবেন।”
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান, এই এলাকার সন্তান। এর আগে আমি এই এলাকার কমিশনার ছিলাম। ১৯৯১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল, তখন আমরা এই এলাকায় গ্যাস, পানি সহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের জন্য সর্বোচ্চ কাজ করেছি। এখন ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন, তাই আপনারা ভোট দিয়ে বিএনপিকে সহায়তা করবেন।”





