ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে কিনে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শেষ কিছু দিন ধরেই আছে বেশ বিপদে। দল মাঠে ভালো করছে না, শীর্ষ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দল ছাড়তে চাইছেন। ক্লাবের মালিক গ্লেজার পরিবারের ওপর সবাই ত্যক্ত বিরক্ত। সব মিলিয়ে মাঠে-মাঠের বাইরে পরিস্থিতিটা অনুকূল নয় ইউনাইটেডের। এরই মধ্যে সেই ক্লাব কিনে নেওয়ার ঘোষণা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক।
সম্প্রতি টুইটারে এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে কিনে নিচ্ছি আমি, আপনাকে ধন্যবাদ।’ এই বিষয়ে অবশ্য মাস্ক নিজে কিংবা গ্লেজার পরিবারের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে গেল না, তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
ব্রিটিশ সংবাদ পত্র দ্য ডেইলি মিরর জানাচ্ছে, গেল বছর গ্লেজার পরিবার ক্লাবটিকে বিক্রি করে দিতে প্রস্তুত ছিল। তবে এক্ষেত্রে একটা শর্ত ছিল। সেক্ষেত্রে কিনতে আগ্রহী ক্লাবকে দিতে হতো কমপক্ষে ৫০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব।
এদিকে এর আগে প্রায় ৪.২ লক্ষ কোটি টাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার কিনে নেওয়ার মৌখিক চুক্তি করেছিলেন ইলন মাস্ক। তবে সম্প্রতি তা থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা দেন তিনি। যা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে এখন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
এরই মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিনে নেওয়ার ঘোষণাটি দিলেন তিনি। এই ঘোষণাটা এল এমন এক সময় যখন ইউনাইটেডের মালিক গ্লেজার পরিবারকে নিয়ে ভক্তরা বেশ ক্ষুব্ধ। ২০০৫ সালে ক্লাবটি মাত্র ৯০৫৫ কোটি টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়েছিল সেই পরিবার। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ইউনাইটেড বেশ কিছু লিগ শিরোপা আর একটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইউরোপা লিগ জিতেছে।
তবে শেষ কয়েক বছর ধরেই দলটির পারফর্ম্যান্সের গ্রাফ নিচের দিকেই নামছে কেবল। গেল মৌসুমে ৬ষ্ঠ হয়ে লিগ শেষ করে ইউনাইটেড হারিয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার যোগ্যতাও। যে কারণে বড় খেলোয়াড়রাও আর ক্লাবে আসতে চাইছেন না, দলে থাকা সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো ছাড়তে চাইছেন ক্লাব।
দলের এমন পরিস্থিতিতে ইউনাইটেডের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানসিটি লিগ জিতেই চলেছে, সফলতা পাচ্ছে চিরশত্রু লিভারপুলও। সব মিলিয়েই ভক্তরা মালিকদের ওপর যারপরনাই বিরক্ত। কেউ কেউ আবার টুইটারে গিয়ে মাস্ককে ইউনাইটেড কিনে নেওয়ার আহবান জানান। তাতে সাড়া দিয়ে মাস্ক জানালেন এই কথা।
তবে টুইটারে রসিকতা করা নিয়ে মাস্কের জুড়ি মেলা ভার। অপ্রথাগত কাজ কিংবা মন্তব্য করায় তিনি সিদ্ধহস্ত। একবার তো এক ভিডিওস্ট্রিমে তিনি গাঁজা নিয়েই চলে এসেছিলেন! ফলে এই মন্তব্যও তার রসিকতা কি না, এ নিয়ে ধোঁয়াশাটা থেকেই যাচ্ছে।





