বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার আগমুহূর্তে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বকাপ মিশনে নামার বার্তা দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে লিওনেল স্কালোনির দল। বলের দখল ও আক্রমণের ধারাবাহিকতায় অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকোর দুর্দান্ত গোলে প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয় আলবিসেলেস্তেরা।

আরও পড়ুন: প্রতিপক্ষের জালে ঠিকই ৭ গোল করে বসবে তারা: মরিনহো

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণে আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে মেসি-লাওতারোরা। তবে বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া করায় ব্যবধান বাড়াতে অপেক্ষা করতে হয় ম্যাচের শেষভাগ পর্যন্ত।

৭০তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা এক তরুণ ফুটবলারের নিখুঁত পাস থেকে আক্রমণ তৈরি করেন লাওতারো মার্টিনেজ। ডি-বক্সের ভেতরে তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। স্পট-কিক থেকে নির্ভুল শটে গোল করে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

এরপর ম্যাচের শেষ দিকে আরও একবার আইসল্যান্ডের জালে বল পাঠান লাওতারো মার্টিনেজ। তার গোলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মেসির এই গোল আর্জেন্টাইন সমর্থকদের বাড়তি স্বস্তি দিয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নতুন রেকর্ড গড়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই তারকা।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে চার গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি থেকে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে ওঠেন মেসি। আসন্ন বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে আর একটি গোল করতে পারলেই এককভাবে নতুন রেকর্ডের মালিক হবেন তিনি।

বিশ্বকাপের আগে শেষ পরীক্ষায় বড় জয় পাওয়ায় আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মূল আসরে নামার আগে এটি স্কালোনির দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।