চার ক্যাচ মিসের খেসারত

ভারতের কাছে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়

Sadek Ali
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৯ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চারটি ক্যাচ মিসের খেসারত দিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেস্তে গেছে নিগার সুলতানা জ্যোতিদের।

আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। ফলে ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশকে করতে হতো ১৫০ রান। তবে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হওয়ায় এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ দল।

আরও পড়ুন: ৩৩ রানে নেই ৪ উইকেট, বিপদে পড়ে চা খেতে গেল বাংলাদেশ

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধীরগতিতে ব্যাটিং করতে থাকেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ২৬ রানের মাথায় বিদায় নেন জুয়াইরিয়া। ১৮ বলে ১৪ রান করেন তিনি। এরপর ২৬ বলে ২১ রান করে আউট হন দিলারা।

এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও সোবহানা মোস্তারি দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। তবে তারাও ব্যর্থ হন। ২৪ বলে ১৮ রান করে সোবহানা সাজঘরে ফেরায় বাংলাদেশ আরও বিপদে পড়ে। জ্যোতিও দলকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারেননি। ১৭ বলে ১৯ রান করে আউট হন তিনি।

আরও পড়ুন: সাদমানের সেঞ্চুরির পরও ২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

শেষ দিকে স্বর্ণা আক্তারের ২২ ও ফাহিমার ১৪ রান কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

ফলে ৪০ রানের জয় নিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন দিপ্তি শর্মা। তিনি ৩টি উইকেট শিকার করেন।

এর আগে দুবাইয়ে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভারতীয় ওপেনার স্মৃতি মান্ধানাকে সাজঘরে ফেরান সুলতানা খাতুন।

এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ রান যোগ করে ভারত। লড়াই চালিয়ে যাওয়া শেফালি ভার্মা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন।

এ ছাড়া প্রতিকা রাওয়াল ২৪ বলে ২০, রিচা ঘোষ ২১ এবং দিপ্তি শর্মা ১৩ রান করেন। হারমনপ্রিত ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সুলতানা খাতুন। ৩০ রান খরচায় তিনি ২টি উইকেট নেন। এ ছাড়া মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান একটি করে উইকেট শিকার করেন।