কুলাউড়া সরকারি কলেজে পুনর্মিলনীর প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

Sanchoy Biswas
কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ন, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫২ অপরাহ্ন, ০২ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আগামীকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) ৫৬ বছরের পুরনো মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনীর প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মুহম্মদ আলাউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটির সদস্য সচিব মাহফুজ শাকিলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য্য সজল।

আরও পড়ুন: হেমায়েতপুরে সড়ক-ফুটপাত দখল: নিত্যদিনের যানজট, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

অনুষ্ঠানের সার্বিক সকল বিষয় নিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব সুফিয়ান আহমদ। অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা বিষয়ে বক্তব্য দেন শৃঙ্খলা উপ-কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল আলম ভূঁইয়া খোকন ও শিক্ষক সোহেল আহমদ, মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটির আহ্বায়ক একে এম জাবের।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এমদাদুল ইসলাম ভূট্টো, ফজলুল হক ফজলু, এ.কে.এম শাহজালাল, অ্যাড. সালাহ উদ্দিন আজিজ, পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মিসবাহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক সিপার উদ্দিন আহমেদ, খালেদ পারভেজ বখশ, মইনুল ইসলাম শামীম, নির্মল্য মিত্র সুমন, সারোয়ার আলম বেলাল, তুষার কান্তি দে, ডা. হেমন্ত চন্দ্র পাল, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিন্টু, মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল বারী সোহেল, শৃঙ্খলা উপ-কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব সাইফুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরগঞ্জে ধান কেটে ফেরার পথে হামলা: আহত ১০

ইতিমধ্যে পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে নানা আয়োজন ও প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

অধ্যক্ষ ড. মুহম্মদ আলাউদ্দিন খান বলেন, “কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এই জনপদে ইতিহাস তৈরি করবে। পুনর্মিলনীর মাধ্যমে কুলাউড়া সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা কলেজের উন্নয়ন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তার পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে আমি আশাবাদী। পুনর্মিলনী থেকে অর্থ সাশ্রয় করে আমরা একটি তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে সবার মতামতের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”